Kenya Tour (September-2018) কেনিয়া ভ্রমণ (সেপ্টেম্বর ২০১৮)
২০১৮ সালের আগস্ট মাসে কুরবানীর ঈদ থেকে ফিরে আসার পর হঠাত করেই কেনিয়া ট্যুরের অফার আসল। সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখ সন্ধ্যায় ফ্লাইট, কাতার এয়ারলাইন্সে। ঢাকা-দোহা (কাতার)- নাইরোবি (কেনিয়া)। প্রায় ১৪ ঘন্টার লম্বা জার্নি। যদিও সন্ধ্যা ৭টার ফ্লাইট ধরার জন্য ৪টার মধ্যেই এয়ারপোর্টে পৌছে গিয়েছিলাম সেহেতু জার্নিটা আরো অনেক লম্বাই মনে হয়েছিল। আমার সংগী ছিলেন আমার বস। যাইহোক, এয়ারপোর্টের ফরমালিটিস কমপ্লিট করে যথেষ্ট সময়-ই সেখানে অপেক্ষা করতে হল। যথাসময়েই ফ্লাইট উড়াল দিল ঢাকা থেকে। প্রায় ৬ ঘন্টা পরে দোহা, কাতারের হাম্মাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করল বিমান। ২ ঘন্টা ট্রানজিট ছিল তাই সেই সময়ে এয়ারপোর্টের ভিতর ঘুরে দেখলাম।
সেখানে ঘন্টাদুয়েক রেস্ট নিয়ে ব্রেকফাস্ট করে আমাদের এজেন্টের অফিসে যাওয়ার পালা। সাড়ে নয়টার দিকে আমাদের এজেন্ট "হাইরিজ ফার্মাসিউট্যিকালস" এর মালিক মোহামেদ সাহেব এসে হাজির। আমাদেরকে সাথে নিয়ে তিনি তার অফিসে গেলেন। সেখানে সারাদিন মিটিং শেষ করে সন্ধ্যার দিকে হোটেলে এসে কিছুক্ষণ রেস্ট নিতে না নিতেই আবার মোহামেদ সাহেব রাতের খাবারের জন্য আমাদেরকে নিয়ে গেলেন।
মিটিং এর এক ফাঁকে একদিন বিকালে একটু অবসর পেয়েছিলাম ঘোরার জন্য। কেনিয়ার নাইরোবি ন্যাশনাল পার্কে ঘুরতে গেলাম।
চারদিনের ট্যুরে ঘোরাঘুরি বলতে ঐটুকুই। তারপরেও আল্লাহর শুকুরিয়া, অতি সাধারণ একজন নাগরিক হয়েও ঐ দূরের এক মহাদেশ ঘোরার তওফিক আল্লাহ্ দিয়েছেন।
যাইহোক, চারদিনের ট্যুর শেষ করে আবার সেই লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে দেশে ফেরা......
প্রায় দুইঘন্টা মত এয়ারপোর্টের ভিতর ঘুরে দেখলাম, সেখানে অনেক বাংগালির আনাগোনা। একটা দোকানে এক বাংগালির সাথে কথা হল, তার বাড়ি সিলেটে। সেখানে সে বিমানবন্দরের ভিতরের ডিউটি ফ্রি শপে কাজ করে।
দুইঘন্টা পরে আবার বিমানে উঠলাম, এবার গন্তব্য নাইরোবি। নাইরোবি বিমানবন্দরে যখন পৌছালাম তখন সবে সকাল হচ্ছে। কেনিয়া সময় সকাল ৬টা মত বাজে। সেখান থেকে ফর্মালিটিস কমপ্লিট করে বাইরে আসতেই দেখলাম আমাদের জন্য গাড়ি অপেক্ষা করছে। সেখান থেকে সোজা আমাদের হোটেল এ। হোটেলের নাম ল্যান্ডমার্ক স্যুটস।
সেখানে ঘন্টাদুয়েক রেস্ট নিয়ে ব্রেকফাস্ট করে আমাদের এজেন্টের অফিসে যাওয়ার পালা। সাড়ে নয়টার দিকে আমাদের এজেন্ট "হাইরিজ ফার্মাসিউট্যিকালস" এর মালিক মোহামেদ সাহেব এসে হাজির। আমাদেরকে সাথে নিয়ে তিনি তার অফিসে গেলেন। সেখানে সারাদিন মিটিং শেষ করে সন্ধ্যার দিকে হোটেলে এসে কিছুক্ষণ রেস্ট নিতে না নিতেই আবার মোহামেদ সাহেব রাতের খাবারের জন্য আমাদেরকে নিয়ে গেলেন।
মিটিং এর এক ফাঁকে একদিন বিকালে একটু অবসর পেয়েছিলাম ঘোরার জন্য। কেনিয়ার নাইরোবি ন্যাশনাল পার্কে ঘুরতে গেলাম।
যাইহোক, চারদিনের ট্যুর শেষ করে আবার সেই লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে দেশে ফেরা......






























Comments
Post a Comment