সব জায়গায় সব কথা বলতে নাই (সংযোজন)-মোঃ ফিরোজ হাসান (ফার্মা ফিরোজ)
সব জায়গায় সব কথা বলতে নাই-আবৃতি
সব জায়গায় সব কথা বলতে নাই (সংযোজন)
মোঃ ফিরোজ হাসান (ফার্মা ফিরোজ)
-------------------------- -------------------------
দুর্নীতি দমন কমিশনের কোন কর্মকর্তা যদি দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকে, জানলে চোখ বন্ধ করে রাখুন
সব জায়গায় সব কথা বলতে নাই
বললে আপনার চাকরি থাকবেনা মশাই
ট্রেনে টিকিট করতে গেলে টিকিট নাই, ছাদের উপরেও ঠাই নাই
তারপরের বছরকে বছর নাকি লোকসানে থাকা রেল কর্তিপক্ষের আহাজারি,
যদি জবাব চান, দেবার কেউ নাই বলবে রেলের অর্ধেক যাত্রীই নাকি বিনা টিকিটে ট্রেনে চড়ে!!! তাহলে আপনি টিকিট করতে গেলে যে টিকিট নাই!!!
তার কোন জবাব নাই!!
এ নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করলে আপনিই ট্রেনে উঠার সুযোগ হারাবেন আজীবনের জন্য!!
বেসরকারি বিমানগুলো যখন লাভের মুখ দেখে তখনও নাকি বাংলাদেশ বিমান লোকসানের ভারে নুয়ে পড়া একটা প্রতিষ্ঠান!
অথচ টিকিট করতে গেলে সেখানেও টিকিট নাই!
আর দাম! তারা যে ফ্রি'তে নিয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু নয়, দাম তো সরকারী বেসরকারি সব বিমানের টিকিটই কাছাকাছি!!
অভিযোগ করবেন? কার কাছে?
দুর্নীতি দমনে? ওহ!! আপনি তাহলে ভুল যায়গায় এসেছেন!
প্রথমেই তো বলেছি, সেখানেও দুর্নীতি!
এ নিয়ে হৈ হুল্লোড় করে লাভ নাই,
যত চিল্লাবেন আপনার গলা নষ্ট হবে,
পকেটের টাকা খরচ করে যাবেন ডাক্তারের কাছে!!
সরকারি হসপিটালে ডাক্তারের সিরিয়াল পেয়েও সব খুলে বলার আগেই দেখবেন প্রেসক্রিপশন রেডি!!
তার কি দোষ বলুন!! দিনে যদি দু'শো রোগী দেখতে হয় তাহলে তো তাকে অন্তর্জামিও হতে হয়...
না হলে এই আমি আপনি রোগীরাই যে ভাংচুর চালাবো, ডক্তারের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে দিব!
অথচ সেই ডাক্তার-ই কোন বেসরকারী ক্লিনিক কিংবা হাসপাতালে আপনাকে নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিবে!
আর দিবেই বা না কেন!!
সরকারি হাসপাতালে যে ডাক্তারকে আপনি ১০ টাকা টিকিট কেটে দেখিয়েছিলেন সেই একই ডাক্তার দেখাতে এখানে ফি দিতে হয়েছে যে হাজার টাকা!!!
এগুলো নিয়ে অভিযোগ করবেন? কোথায় করবেন?
হসপিটাল কর্ত্রিপক্ষের জবাব লোকবল সংকট,
মন্ত্রানালয়ের জবাব "নতুন সার্কুলার হয়েছে"
যদিও সেই সার্কুলারে নিয়োগ দিতেই কেটে যায় বছরের পর বছর।।
(.................. অসমাপ্ত)
সব জায়গায় সব কথা বলতে নাই (সংযোজন)
মোঃ ফিরোজ হাসান (ফার্মা ফিরোজ)
--------------------------
দুর্নীতি দমন কমিশনের কোন কর্মকর্তা যদি দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকে, জানলে চোখ বন্ধ করে রাখুন
সব জায়গায় সব কথা বলতে নাই
বললে আপনার চাকরি থাকবেনা মশাই
ট্রেনে টিকিট করতে গেলে টিকিট নাই, ছাদের উপরেও ঠাই নাই
তারপরের বছরকে বছর নাকি লোকসানে থাকা রেল কর্তিপক্ষের আহাজারি,
যদি জবাব চান, দেবার কেউ নাই বলবে রেলের অর্ধেক যাত্রীই নাকি বিনা টিকিটে ট্রেনে চড়ে!!! তাহলে আপনি টিকিট করতে গেলে যে টিকিট নাই!!!
তার কোন জবাব নাই!!
এ নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করলে আপনিই ট্রেনে উঠার সুযোগ হারাবেন আজীবনের জন্য!!
বেসরকারি বিমানগুলো যখন লাভের মুখ দেখে তখনও নাকি বাংলাদেশ বিমান লোকসানের ভারে নুয়ে পড়া একটা প্রতিষ্ঠান!
অথচ টিকিট করতে গেলে সেখানেও টিকিট নাই!
আর দাম! তারা যে ফ্রি'তে নিয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু নয়, দাম তো সরকারী বেসরকারি সব বিমানের টিকিটই কাছাকাছি!!
অভিযোগ করবেন? কার কাছে?
দুর্নীতি দমনে? ওহ!! আপনি তাহলে ভুল যায়গায় এসেছেন!
প্রথমেই তো বলেছি, সেখানেও দুর্নীতি!
এ নিয়ে হৈ হুল্লোড় করে লাভ নাই,
যত চিল্লাবেন আপনার গলা নষ্ট হবে,
পকেটের টাকা খরচ করে যাবেন ডাক্তারের কাছে!!
সরকারি হসপিটালে ডাক্তারের সিরিয়াল পেয়েও সব খুলে বলার আগেই দেখবেন প্রেসক্রিপশন রেডি!!
তার কি দোষ বলুন!! দিনে যদি দু'শো রোগী দেখতে হয় তাহলে তো তাকে অন্তর্জামিও হতে হয়...
না হলে এই আমি আপনি রোগীরাই যে ভাংচুর চালাবো, ডক্তারের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে দিব!
অথচ সেই ডাক্তার-ই কোন বেসরকারী ক্লিনিক কিংবা হাসপাতালে আপনাকে নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিবে!
আর দিবেই বা না কেন!!
সরকারি হাসপাতালে যে ডাক্তারকে আপনি ১০ টাকা টিকিট কেটে দেখিয়েছিলেন সেই একই ডাক্তার দেখাতে এখানে ফি দিতে হয়েছে যে হাজার টাকা!!!
এগুলো নিয়ে অভিযোগ করবেন? কোথায় করবেন?
হসপিটাল কর্ত্রিপক্ষের জবাব লোকবল সংকট,
মন্ত্রানালয়ের জবাব "নতুন সার্কুলার হয়েছে"
যদিও সেই সার্কুলারে নিয়োগ দিতেই কেটে যায় বছরের পর বছর।।
(.................. অসমাপ্ত)

Comments
Post a Comment